আমাদের মধ্যে প্রায়শ এটা দেখা যায় যে, গর্ভবতী হলে একজন নারী নিজেকে অসুস্থ রোগী ভাবতে শুরু করে। সারাদিন শুয়ে-বসে থাকাটা নিজের জন্য নিরাপদ মনে করে। যদি কোনো বিশেষ শারীরিক সমস্যা না থাকে, তাহলে একজন গর্ভবতীর হালকা কাজের মাধ্যমে সক্রিয় জীবন-যাপন করা উচিত। চলুন জেনে আসি এবিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

- সন্তানসম্ভবা মানেই নড়াচড়া বন্ধ করে শুয়েবসে থাকা নয়।
- নিজেকে এবং গর্ভের সন্তানটিকে সুস্থ রাখতে বরং জরুরি মায়ের অ্যাক্টিভ থাকা।
- প্রতিদিন অন্তত দশ মিনিটের হালকা ব্যায়াম করতে হবে।
- প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট হাটতে পারেন।
- গর্ভাবস্থায় মায়েদের নানা মানসিক সঙ্কট তৈরি হয়। এগুলো থেকে মুক্তি পেতে ইয়োগা করা যায়। নিজ নিজ ধর্মের প্রার্থনাও কাজে দেয়। 
- অতিরিক্ত বিশ্রাম ও খাওয়ার ফলে অনেকের ওজন অনেক বেশি বেড়ে যায়। এটা পরবর্তীতে নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
- পেশিতে চাপ বা শ্বাসকষ্ট হলে ব্যায়াম বা অতিরিক্ত পরিশ্রম করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
- তবে স্বাভাবিক কাজ করতে কোনো বাধা নেই।
- হবু মায়ের দিন-রাত মিলে ১০ ঘণ্টা ঘুম ও কাজের মাঝে কিছু সময় বিরতি নিয়ে বিশ্রাম নিতে হবে।
- নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শমতো চলতে হবে। 

অনেকে আমাদের কমেন্টে জানায়, তাদের বাচ্চা উল্টে আছে, কিভাবে ঠিক পজিশনে আনা সম্ভব। এই সমস্যার অন্যতম সমাধান আপনার সক্রিয়তা। আপনি সক্রিয় থাকলে অর্থ্যাৎ হাটাহাটি করলে অভিকর্ষজ বল বাচ্চাকে নিচের দিকে নামতে সাহায্য করে। তাই চেষ্টা করুন, আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সক্রিয় থাকতে।